ডিসি ও এসপিদের পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ জামায়াতের, প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা
ডিসি ও এসপিদের পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ জামায়াতের, প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা
ডিসি ও এসপিদের পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ জামায়াতের, প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা
Get Link: https://ytly.ink/KnB5s
বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ
মোহাম্মদ তাহের আজ বলেছেন, মাঠপর্যায়ের
কিছু পুলিশ সুপার (এসপি) ও জেলা প্রশাসকের
(ডিসি) আচরণ “পক্ষপাতদুষ্ট” বলে তারা প্রধান
উপদেষ্টাকে অবহিত করেছেন।
দলটির
আমির ডা. শফিকুর রহমানের
নেতৃত্বে একটি জামায়াত প্রতিনিধিদল
আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময়
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার
এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক
শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তাহের বলেন, “আমরা ওইসব (ডিসি
ও এসপি) কর্মকর্তার একটি তালিকা প্রস্তুত
করেছি। আমরা পর্যবেক্ষণ অব্যাহত
রাখব। আমরা মৌখিকভাবে নির্বাচন
কমিশনকে এদের চিহ্নিত করে
জানিয়েছি। লিখিতভাবে কিছু দিইনি। আজ
বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার কাছেও তুলে ধরেছি।”
প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ করা
তিনি
বলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি যথাযথ ব্যবস্থা
না নেয়, তাহলে প্রধান
উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ করা উচিত। কারণ
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রধান উপদেষ্টা
ব্যক্তিগতভাবে একটি অবাধ ও
সুষ্ঠু নির্বাচন চান।”
তাহের
আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টার আশপাশের কিছু উপদেষ্টা তাকে
বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।
“আমরা তার দৃষ্টি আকর্ষণ
করেছি,” তিনি যোগ করেন।
তিনি
জানান, গত দুই-তিন
সপ্তাহে সরকার একটি নির্দিষ্ট দলের
প্রধানকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও বিশেষ প্রটোকল
দিয়ে সীমা ছাড়িয়ে গেছে,
যা নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতির
স্পষ্ট লঙ্ঘন।
“কারও
বাড়তি নিরাপত্তা বা প্রটোকল দেওয়া
হলে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু একটি
প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমিরকেও সমানভাবে বিবেচনা করতে হবে। তা
না হলে জাতি নির্বাচন
কমিশনকেই পক্ষপাতমূলক আচরণের জন্য দায়ী করবে
এবং সমতাভিত্তিক নির্বাচনী পরিবেশ ধ্বংস হবে,” বলেন তাহের।
মনোনয়নপত্র
যাচাই-বাছাইয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাহের বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে কিছু
অসঙ্গতি দেখতে পাচ্ছি। সে কারণেই আজ
প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি, যাতে এগুলো সংশোধন
করা যায়।”
তিনি
আরও বলেন, “আমরা শুনছি, একটি
নির্দিষ্ট দল নির্বাচন কমিশনের
ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা
করছে, যাতে ত্রুটির কারণে
যেসব মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কথা, সেগুলো বাতিল
না করা হয়।”
এ ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকলে
জনগণের মধ্যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন
নিয়ে “সন্দেহ ও হতাশা” তৈরি
হবে বলে সতর্ক করেন
তিনি।

No comments